হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) প্রকাশ হযরত

0 Likes
0 Authors
25 Sep 2024
Maizvandari
Test user

Test user

1 year ago

Joined 25 Sep 2024 .

যাঁর পবিত্র চরণ স্পর্শে এ সাধারন গ্রাম মাইজ ভান্ডার এ দেশের সর্ব্বোচ আধ্যাত্মিক প্ল্যাটফর্ম মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফে রূপান্তরিত হয়েছে, যিনি রাসূলে পাক (দঃ) হতে গাউসিয়তের তাজ পরিহিত, যিনি মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিকতার মূল প্রাণশক্তি, যার কামেলিয়াত ও বেলায়তের সর্ব্বোচ মকামে অধিষ্ঠিত, বাবে সিরর্ েআসরার, আরেফে মা’আরেফ, পূর্বাঞ্চলের ত্রানকর্তা হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলা ১২৪৪ হিজরী, ১২৩৩ বাংলা, ১৮২৬ খৃষ্টাব্দ, ১লা মাঘ, রোজ বুধবার বাদ জোহর বার আউলিয়ার পূণ্যময় দেশ চট্টলার মাইজভান্ডার গ্রামে হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) এর ঔরসে এবং পূণ্যময়ী আবেদা সৈয়দা খায়েরুন্নেছা বিবির মাতৃত্বে এই ধরাধামে তাশরীফ আনেন। ’’মারহাবা এয়া মারহাবা এয়া মারহাবা, গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী মারহাবা’’। দেশীয় শিক্ষা শেষ করে ১৮৪২ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং অধ্যয়ন শেষে ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে যশোহরে কাজীর পদ গ্রহন করেন। পরবর্তী বছরেই কাজীর পদ ত্যাগ করে কলিকাতায় মুন্সি বো-আলী মাদ্রাসায় প্রধান মোদার্রেছ হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ইতিমধ্যে পীরানে পীর গাউছুল আজম দস্তগীর হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর বংশধর ও ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার খেলাফতপ্রাপ্ত গাউসে কাওনাইন শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নিকট দস্তে বায়াত হন। পীরের ফয়েজ-রহমত লাভে হযরত ক্বেবলা যখন ফানাফিশ শ্যায়খ মোকাম অতিক্রম করেন অতঃপর শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নির্দেশে তাঁর অগ্রজ চিরকুমার শাহ্ সৈয়দ দেলোয়ার আলী পাকবাজ (কঃ) এর খেদমতে গিয়ে ফয়েজ গ্রহনে আদিষ্ট হন। সেখান থেকে কামালিয়াত অর্জন করে পীরের নির্দেশে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ ফিরে এলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের লোকজন স্রষ্টার গুপ্ত রহস্য জানার আগ্রহে এবং আত্মিক পবিত্রকরণের জন্য বায়াত হতে থাকেন। হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ (কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলার কামেলিয়াত, বেলায়ত, কারামাত ও করুণা বর্ষনের খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) আল্-হাছানী ওয়াল হোসাইনীর বংশের সমকালীন সকল সদস্যরা হযরত ক্বেবলার (কঃ) কদমে নিজেদের জীবন

 

যাঁর পবিত্র চরণ স্পর্শে এ সাধারন গ্রাম মাইজ ভান্ডার এ দেশের সর্ব্বোচ আধ্যাত্মিক প্ল্যাটফর্ম মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফে রূপান্তরিত হয়েছে, যিনি রাসূলে পাক (দঃ) হতে গাউসিয়তের তাজ পরিহিত, যিনি মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিকতার মূল প্রাণশক্তি, যার কামেলিয়াত ও বেলায়তের সর্ব্বোচ মকামে অধিষ্ঠিত, বাবে সিরর্ েআসরার, আরেফে মা’আরেফ, পূর্বাঞ্চলের ত্রানকর্তা হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলা ১২৪৪ হিজরী, ১২৩৩ বাংলা, ১৮২৬ খৃষ্টাব্দ, ১লা মাঘ, রোজ বুধবার বাদ জোহর বার আউলিয়ার পূণ্যময় দেশ চট্টলার মাইজভান্ডার গ্রামে হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) এর ঔরসে এবং পূণ্যময়ী আবেদা সৈয়দা খায়েরুন্নেছা বিবির মাতৃত্বে এই ধরাধামে তাশরীফ আনেন। ’’মারহাবা এয়া মারহাবা এয়া মারহাবা, গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী মারহাবা’’। দেশীয় শিক্ষা শেষ করে ১৮৪২ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং অধ্যয়ন শেষে ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে যশোহরে কাজীর পদ গ্রহন করেন। পরবর্তী বছরেই কাজীর পদ ত্যাগ করে কলিকাতায় মুন্সি বো-আলী মাদ্রাসায় প্রধান মোদার্রেছ হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ইতিমধ্যে পীরানে পীর গাউছুল আজম দস্তগীর হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর বংশধর ও ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার খেলাফতপ্রাপ্ত গাউসে কাওনাইন শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নিকট দস্তে বায়াত হন। পীরের ফয়েজ-রহমত লাভে হযরত ক্বেবলা যখন ফানাফিশ শ্যায়খ মোকাম অতিক্রম করেন অতঃপর শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নির্দেশে তাঁর অগ্রজ চিরকুমার শাহ্ সৈয়দ দেলোয়ার আলী পাকবাজ (কঃ) এর খেদমতে গিয়ে ফয়েজ গ্রহনে আদিষ্ট হন। সেখান থেকে কামালিয়াত অর্জন করে পীরের নির্দেশে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ ফিরে এলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের লোকজন স্রষ্টার গুপ্ত রহস্য জানার আগ্রহে এবং আত্মিক পবিত্রকরণের জন্য বায়াত হতে থাকেন। হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ (কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলার কামেলিয়াত, বেলায়ত, কারামাত ও করুণা বর্ষনের খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) আল্-হাছানী ওয়াল হোসাইনীর বংশের সমকালীন সকল সদস্যরা হযরত ক্বেবলার (কঃ) কদমে নিজেদের জীবন

 

 

যাঁর পবিত্র চরণ স্পর্শে এ সাধারন গ্রাম মাইজ ভান্ডার এ দেশের সর্ব্বোচ আধ্যাত্মিক প্ল্যাটফর্ম মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফে রূপান্তরিত হয়েছে, যিনি রাসূলে পাক (দঃ) হতে গাউসিয়তের তাজ পরিহিত, যিনি মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিকতার মূল প্রাণশক্তি, যার কামেলিয়াত ও বেলায়তের সর্ব্বোচ মকামে অধিষ্ঠিত, বাবে সিরর্ েআসরার, আরেফে মা’আরেফ, পূর্বাঞ্চলের ত্রানকর্তা হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলা ১২৪৪ হিজরী, ১২৩৩ বাংলা, ১৮২৬ খৃষ্টাব্দ, ১লা মাঘ, রোজ বুধবার বাদ জোহর বার আউলিয়ার পূণ্যময় দেশ চট্টলার মাইজভান্ডার গ্রামে হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) এর ঔরসে এবং পূণ্যময়ী আবেদা সৈয়দা খায়েরুন্নেছা বিবির মাতৃত্বে এই ধরাধামে তাশরীফ আনেন। ’’মারহাবা এয়া মারহাবা এয়া মারহাবা, গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী মারহাবা’’। দেশীয় শিক্ষা শেষ করে ১৮৪২ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং অধ্যয়ন শেষে ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে যশোহরে কাজীর পদ গ্রহন করেন। পরবর্তী বছরেই কাজীর পদ ত্যাগ করে কলিকাতায় মুন্সি বো-আলী মাদ্রাসায় প্রধান মোদার্রেছ হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ইতিমধ্যে পীরানে পীর গাউছুল আজম দস্তগীর হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর বংশধর ও ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার খেলাফতপ্রাপ্ত গাউসে কাওনাইন শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নিকট দস্তে বায়াত হন। পীরের ফয়েজ-রহমত লাভে হযরত ক্বেবলা যখন ফানাফিশ শ্যায়খ মোকাম অতিক্রম করেন অতঃপর শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নির্দেশে তাঁর অগ্রজ চিরকুমার শাহ্ সৈয়দ দেলোয়ার আলী পাকবাজ (কঃ) এর খেদমতে গিয়ে ফয়েজ গ্রহনে আদিষ্ট হন। সেখান থেকে কামালিয়াত অর্জন করে পীরের নির্দেশে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ ফিরে এলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের লোকজন স্রষ্টার গুপ্ত রহস্য জানার আগ্রহে এবং আত্মিক পবিত্রকরণের জন্য বায়াত হতে থাকেন। হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ (কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলার কামেলিয়াত, বেলায়ত, কারামাত ও করুণা বর্ষনের খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) আল্-হাছানী ওয়াল হোসাইনীর বংশের সমকালীন সকল সদস্যরা হযরত ক্বেবলার (কঃ) কদমে নিজেদের জীবন

 

 

যাঁর পবিত্র চরণ স্পর্শে এ সাধারন গ্রাম মাইজ ভান্ডার এ দেশের সর্ব্বোচ আধ্যাত্মিক প্ল্যাটফর্ম মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফে রূপান্তরিত হয়েছে, যিনি রাসূলে পাক (দঃ) হতে গাউসিয়তের তাজ পরিহিত, যিনি মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিকতার মূল প্রাণশক্তি, যার কামেলিয়াত ও বেলায়তের সর্ব্বোচ মকামে অধিষ্ঠিত, বাবে সিরর্ েআসরার, আরেফে মা’আরেফ, পূর্বাঞ্চলের ত্রানকর্তা হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলা ১২৪৪ হিজরী, ১২৩৩ বাংলা, ১৮২৬ খৃষ্টাব্দ, ১লা মাঘ, রোজ বুধবার বাদ জোহর বার আউলিয়ার পূণ্যময় দেশ চট্টলার মাইজভান্ডার গ্রামে হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) এর ঔরসে এবং পূণ্যময়ী আবেদা সৈয়দা খায়েরুন্নেছা বিবির মাতৃত্বে এই ধরাধামে তাশরীফ আনেন। ’’মারহাবা এয়া মারহাবা এয়া মারহাবা, গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী মারহাবা’’। দেশীয় শিক্ষা শেষ করে ১৮৪২ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং অধ্যয়ন শেষে ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে যশোহরে কাজীর পদ গ্রহন করেন। পরবর্তী বছরেই কাজীর পদ ত্যাগ করে কলিকাতায় মুন্সি বো-আলী মাদ্রাসায় প্রধান মোদার্রেছ হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ইতিমধ্যে পীরানে পীর গাউছুল আজম দস্তগীর হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর বংশধর ও ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার খেলাফতপ্রাপ্ত গাউসে কাওনাইন শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নিকট দস্তে বায়াত হন। পীরের ফয়েজ-রহমত লাভে হযরত ক্বেবলা যখন ফানাফিশ শ্যায়খ মোকাম অতিক্রম করেন অতঃপর শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নির্দেশে তাঁর অগ্রজ চিরকুমার শাহ্ সৈয়দ দেলোয়ার আলী পাকবাজ (কঃ) এর খেদমতে গিয়ে ফয়েজ গ্রহনে আদিষ্ট হন। সেখান থেকে কামালিয়াত অর্জন করে পীরের নির্দেশে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ ফিরে এলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের লোকজন স্রষ্টার গুপ্ত রহস্য জানার আগ্রহে এবং আত্মিক পবিত্রকরণের জন্য বায়াত হতে থাকেন। হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ (কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলার কামেলিয়াত, বেলায়ত, কারামাত ও করুণা বর্ষনের খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) আল্-হাছানী ওয়াল হোসাইনীর বংশের সমকালীন সকল সদস্যরা হযরত ক্বেবলার (কঃ) কদমে নিজেদের জীবন

 

 

যাঁর পবিত্র চরণ স্পর্শে এ সাধারন গ্রাম মাইজ ভান্ডার এ দেশের সর্ব্বোচ আধ্যাত্মিক প্ল্যাটফর্ম মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফে রূপান্তরিত হয়েছে, যিনি রাসূলে পাক (দঃ) হতে গাউসিয়তের তাজ পরিহিত, যিনি মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফের আধ্যাত্মিকতার মূল প্রাণশক্তি, যার কামেলিয়াত ও বেলায়তের সর্ব্বোচ মকামে অধিষ্ঠিত, বাবে সিরর্ েআসরার, আরেফে মা’আরেফ, পূর্বাঞ্চলের ত্রানকর্তা হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ(কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলা ১২৪৪ হিজরী, ১২৩৩ বাংলা, ১৮২৬ খৃষ্টাব্দ, ১লা মাঘ, রোজ বুধবার বাদ জোহর বার আউলিয়ার পূণ্যময় দেশ চট্টলার মাইজভান্ডার গ্রামে হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) এর ঔরসে এবং পূণ্যময়ী আবেদা সৈয়দা খায়েরুন্নেছা বিবির মাতৃত্বে এই ধরাধামে তাশরীফ আনেন। ’’মারহাবা এয়া মারহাবা এয়া মারহাবা, গাউছুল আজম মাইজ ভান্ডারী মারহাবা’’। দেশীয় শিক্ষা শেষ করে ১৮৪২ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন এবং অধ্যয়ন শেষে ১৮৫১ খৃষ্টাব্দে যশোহরে কাজীর পদ গ্রহন করেন। পরবর্তী বছরেই কাজীর পদ ত্যাগ করে কলিকাতায় মুন্সি বো-আলী মাদ্রাসায় প্রধান মোদার্রেছ হিসাবে শিক্ষকতা শুরু করেন। ইতিমধ্যে পীরানে পীর গাউছুল আজম দস্তগীর হযরত মাওলানা সৈয়দ আবদুল কাদের জিলানী (কঃ) এর বংশধর ও ক্বাদেরীয়া ত্বরীকার খেলাফতপ্রাপ্ত গাউসে কাওনাইন শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নিকট দস্তে বায়াত হন। পীরের ফয়েজ-রহমত লাভে হযরত ক্বেবলা যখন ফানাফিশ শ্যায়খ মোকাম অতিক্রম করেন অতঃপর শ্যায়খ সৈয়দ আবু শাহামা মুহাম্মদ সালেহ্ লাহোরী আল্-ক্বাদেরী (কঃ) এর নির্দেশে তাঁর অগ্রজ চিরকুমার শাহ্ সৈয়দ দেলোয়ার আলী পাকবাজ (কঃ) এর খেদমতে গিয়ে ফয়েজ গ্রহনে আদিষ্ট হন। সেখান থেকে কামালিয়াত অর্জন করে পীরের নির্দেশে মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ ফিরে এলে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকল স্তরের লোকজন স্রষ্টার গুপ্ত রহস্য জানার আগ্রহে এবং আত্মিক পবিত্রকরণের জন্য বায়াত হতে থাকেন। হযরত গাউছুল আজম মাওলানা শাহ্ছুফি সৈয়দ আহমদ উল­াহ (কঃ) আল্ হাছানী ওয়াল হোসাইনী প্রকাশ হযরত ক্বেবলার কামেলিয়াত, বেলায়ত, কারামাত ও করুণা বর্ষনের খবর দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। হযরত মাওলানা শাহ্ ছূফি সৈয়দ মতিউল­াহ (রাহঃ) আল্-হাছানী ওয়াল হোসাইনীর বংশের সমকালীন সকল সদস্যরা হযরত ক্বেবলার (কঃ) কদমে নিজেদের জীবন

0
0
share